Skip to main content

Which Country has the fastest supercomputer

Which Country has the fastest supercomputer


On 22 June, computer developers in Japan made an important announcement that their computer has reached the top of the world's fastest computer race. Top500, the site making the list of world's 500 fastest computers, has considered it the fastest.

Let us tell that America and Germany had set a benchmark on supercomputers. On this basis, computers around the world were measured. Now with this new record of Japan, it is believed that there will be some concrete help in the treatment of this virus.

Fugaku was created by the Riken Scientific Research Center, a Japanese company. Fujitsu also worked with it. Fugaku's speed can be gauged from the fact that it can calculate 415 quadrillions in a second. It has also found out how water droplets spread through the breath.

Let us know that the highest risk of the virus is from the small drops of water released from the breath, which spread many times even with a mask.

After the year 2011, a computer in Japan has been given the status of supercomputer before that for the whole 9 years, these titles were going to Germany, sometimes America or sometimes. For two years before this, supercomputers of America had this status. His speed is nothing ahead of Fugaku.

According to The Guardian report, the Japanese computer is 2.8 times faster than that. At the same time, Fugaku is 1000 times faster than normal computers, which people like you use.

The government and scientists of Japan were working on this computer for the last 6 years. It worked day and night in Kobe City, Japan. In order to be able to solve the most difficult things in seconds, scientists put 1.5 lakh processing units in it.

Such hard work of scientists in Japan was not only meant to be ahead in any competition, but it was prepared for many special things. Japan is very sensitive to earthquakes. There have been huge losses due to this every now and then.

According to the Japanese newspaper Nikkei, Fugaku has been designed in such a way that it can assess the earthquake as well as calculate the damage caused by it. At the same time, it can suggest how to save people and essential things in the shortest possible time, while giving a proper view of the time of disasters like a tsunami.

Now experts are hoping that Fugaku will get help in the case of viruses as well. Work has also started on this. It is also believed that out of the more than 2000 medicines currently available for the treatment of viral diseases, it will be able to identify which drug is more beneficial. Along with this, those medicines will also be included, whose clinical trials have not been done yet.

By the way, due to the new virus, Scientists are also resorting to supercomputers to bridge the lack of information. American supercomputers started working on it before Japan.

This IBM supercomputer summit finds out through a variety of investigations that the drugs can be controlled or controlled by spreading the virus. In this search, 77 such chemicals have been identified that will stop the virus from wherever. It is believed that with their help the virus vaccine will be ready.

The discovery by science experts ChemRxiv of Oak Ridge National Laboratory has been published. It tells how the virus selects host cells for themselves in the human body and how they spread their infection slowly.

After identifying this host cell, which is being called the spike in the language of science, the supercomputer saw how the drugs are directly connected to that cell so that infection can be spread from the infected cell to other cells. Let me tell you that even before this, supercomputers had made important discoveries towards the treatment of Alzheimer's disease.

Comments

Popular posts from this blog

মোটিভেশনাল স্পিকার সন্দীপ মহেশ্বরী জীবন কাহিনী

আমাদের জীবন অতিবাহিত করতে গেলে নিজেদেরকেই কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। যে প্রশ্নগুলি আমরা নিজেরাই নিজেকে করি। কিছু ক্ষেত্রে উত্তর পেয়ে যায় আবার কিছু ক্ষেত্রে উত্তর পাই না। আর যখন উত্তর পাই না তখন মনে হয় জীবনটা হঠাৎ করে থেমে গেল।

যতক্ষণ না সে উত্তর আমরা খুঁজে পাই, মনে হয় জীবনটা আর সামনের দিকে এগোচ্ছে না। তখনই আমাদের কিছু মানুষের সাহারা লাগে। কিন্তু, জীবন আমাদের এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে যায়, যখন সাহারা দেওয়ার মতন মানুষ কাছে পাইনা আমরা। আর ঠিক তখনই আমাদের ভিতরে এক অমানবিক ডিপ্রেশান নামক আত্মা ঢুকে বসে। আমরা প্রায় সকলেই এই ডিপ্রেশন নামক অমানবিক আত্মা এর কাছে হার মেনে যাই, আর নিজেকে শেষ করার পর্যন্ত চিন্তাভাবনা করে ফেলি।

কিন্তু এই মানুষটি যার কথা আমি আপনাকে বলছি, তিনি হলেন বেস্ট ইন্ডিয়ান মোটিভেশনাল স্পিকার সন্দীপ মহেশ্বরী। তার জীবনেও এরকম অনেক ওঠানামা এসেছে। কিন্তু আমাদের মত যদি তিনিও সেই ডিপ্রেশনকে, সেই সময় টিকে ধরে নিয়ে বসে থাকতেন তাহলে হয়তো আমরা আজকে তাকে যে জায়গায় দেখছি তাকে হয়তো সেই জায়গায় পেতাম না।

মোটিভেশনাল স্পিকার সন্দীপ মহেশ্বরী জীবন কাহিনী সন্দীপ মহেশ্বরী আমার ত…

Live Update : সাইক্লোন ঘূর্ণিঝড় আম্ফান

আম্ফন, আম্ফান, অ্যাম্ফান কলকাতা আই এম ডি এর অনুসারে এই ঘুর্ণবত এর সৃষ্টি দীঘা থেকে ১৭৭ কিমি দূরে দক্ষিণ পূর্ব দিকে। আর এই কারনে এই ঝড় কলকাতা তে বেশি প্রভাব ফেলবে ফনি ঝড় এর থেকে। বিশেষজ্ঞ দের মতে এই ঝড় কলকাতা এর নিকট উত্তর এবং উত্তর পূর্ব এর দিকে বাড়ার সম্ভাবনা তীব্র।

আগেই আমরা ফনি এর সাথে মোকাবিলা করে এসেছি। যদিও সেই ফনি সব জায়গায় তাণ্ডব দেখায়নি। কিন্তু যেখানে দেখিয়াছে সেখানে সব নিঃস্ব জয়ে গেছে। ফনি এর পর এবার এসেছে ঘুর্ণবাত ঝড় অম্ফান। বিশেষজ্ঞ দের মতে এই ঝড় আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে।
কলকাতা আই এম ডি এর অনুসারে এই ঘুর্ণবত এর সৃষ্টি দীঘা থেকে ১৭৭ কিমি দূরে দক্ষিণ পূর্ব দিকে। আর এই কারনে এই ঝড় কলকাতা তে বেশি প্রভাব ফেলবে ফনি ঝড় এর থেকে। বিশেষজ্ঞ দের মতে এই ঝড় কলকাতা এর নিকট উত্তর এবং উত্তর পূর্ব এর দিকে বাড়ার সম্ভাবনা তীব্র। 
এনডিআরএফ এর প্রধান এম এন প্রধান বলেছেন যে উড়িষ্যা এর নিকট হাওয়া এর গতি তীব্র হয়েছে। পারাদ্বীপ এ 100 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় এই মুহূর্তে হাওয়া চলছে। এখনো পশ্চিমবঙ্গে এই হাওয়ার বেগ অতটা তীব্র হয়নি।
ওড়িশা এর বালাসোর এবং ভদ্রক অন্যদিকে পশ্চিমব…

DjM Originals Bangla Choto Golpo : হঠাৎ সারপ্রাইজ

DjM Originals : হঠাৎ সারপ্রাইজ
তন্ময় রায়
DjM Originals Bangla choto golpo: টিভিতে রামায়ণ দেখছিলাম, আর এখন এই গল্পটি লিখতে লিখতে রামায়ণের বাল্মিকী একটা কথা মনে পড়ে গেল। লব এবং কুশ যখন বাল্মীকি কে জিজ্ঞাসা করেন যে, কার গতি সব থেকে বেশি? উত্তরে বাল্মিকী শব্দের গতি এবং আলোর গতি এর কথা বলেন। এরপরেও যখন লব জিজ্ঞাসা করে এরপরেও কি কারো গতি আছে যেটা আরো বেশি? তখন বাল্মিকী তাদের বলেন, "হ্যাঁ আছে, মনের গতি"।

এই গল্পটি লিখতে লিখতে বাল্মিকী এর সেই কথাটাই মনে পড়ে গেল। সত্যিই শব্দের গতি, আলোর গতি এইসব থেকেই আরো গতিতে আমাদের পুরো ব্রহ্মাণ্ডে বিচরণ করে আমাদের মনের গতি। গল্পটা কি এবারে বলি

করণ পুরি নামক একজন বৃদ্ধা হরিয়ানা এর সেক্টর 7 থাকেন এবং তিনি একাই সেই বাড়িতে থাকেন। তার একটা ছেলে আছে, সে আমেরিকায় থাকে। 28 এপ্রিল পুরি বাবুর জন্মদিন। তাকে শুভেচ্ছা জানানোর কেউ নেই। তাছাড়াও বাইরে যা অবস্থা, তাতে তিনি বাইরে গিয়ে যে একটু নিজের মতন করে খোলা আকাশের মত একটু বাঁচার চেষ্টা করবেন, সেটাও তিনি তার এই জন্মদিনের দিন করতে পারছেন না। নাকি কেউ তার বাড়িত আসছে। কারণ বাইরে যা অবস্থা তা তো সবারই জানা…